বাংলা কার সমূহ

সর্বশেষ আপডেট:

স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলে। তবে “অ” বর্ণের কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ নেই। তাই বাংলায় স্বরবর্ণ ১১টি হলেও কারের সংখ্যা ১০টি।

১০টি কারের নাম:

মূল স্বরবর্ণের নামের সাথে “কার” কথাটি যুক্ত করে কারসমূহের নামকরণ করা হয়। যেমন:-

মূল স্বরবর্ণকারকারের নাম
আ-কার
িই-কার
ঈ-কার
উ-কার
ঊ-কার
ঋ-কার
এ-কার
ঐ-কার
ও-কার
ঔ-কার

কারযুক্ত বর্ণের উচ্চারণ:

ক + আ-কার = কা
খ + আ-কার = খা, এভাবে…

ঙ-এর ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম। সাধারণত ঙ-এর আগে অন্য বর্ণের প্রয়োজন হয়। রাঙা (রাংআ), রঙিন (রংইন) ইত্যাদি।

[সব বর্ণের সাথে একটি একটি করে কার শেখালে বাচ্চাদের জন্য শেখাটা সহজ হয়। অর্থাৎ, কা, কি, কী, কু… এভাবে না পড়িয়ে কা, খা, গা, ঘা, ঙা… এভাবে পড়াতে হবে।

বর্ণ া ি ী ু ূ ৃ ে ৈ ো ৌ
কাকিকীকুকূকৃকেকৈকোকৌ
খাখিখীখুখূখৃখেখৈখোখৌ
গাগিগীগুগূগৃগেগৈগোগৌ
ঘাঘিঘীঘুঘূঘৃঘেঘৈঘোঘৌ
ঙাঙিঙীঙুঙূঙৃঙেঙৈঙোঙৌ
চাচিচীচুচূচৃচেচৈচোচৌ
ছাছিছীছুছূছৃছেছৈছোছৌ
জাজিজীজুজূজৃজেজৈজোজৌ
ঝাঝিঝীঝুঝূঝৃঝেঝৈঝোঝৌ
ঞাঞিঞীঞুঞূঞৃঞেঞৈঞোঞৌ
টাটিটীটুটূটৃটেটৈটোটৌ
ঠাঠিঠীঠুঠূঠৃঠেঠৈঠোঠৌ
ডাডিডীডুডূডৃডেডৈডোডৌ
ঢাঢিঢীঢুঢূঢৃঢেঢৈঢোঢৌ
ণাণিণীণুণূণৃণেণৈণোণৌ
তাতিতীতুতূতৃতেতৈতোতৌ
থাথিথীথুথূথৃথেথৈথোথৌ
দাদিদীদুদূদৃদেদৈদোদৌ
ধাধিধীধুধূধৃধেধৈধোধৌ
নানিনীনুনূনৃনেনৈনোনৌ
পাপিপীপুপূপৃপেপৈপোপৌ
ফাফিফীফুফূফৃফেফৈফোফৌ
বাবিবীবুবূবৃবেবৈবোবৌ
ভাভিভীভুভূভৃভেভৈভোভৌ
মামিমীমুমূমৃমেমৈমোমৌ
যাযিযীযুযূযৃযেযৈযোযৌ
রারিরীরুরূরৃরেরৈরোরৌ
লালিলীলুলূলৃলেলৈলোলৌ
শাশিশীশুশূশৃশেশৈশোশৌ
ষাষিষীষুষূষৃষেষৈষোষৌ
সাসিসীসুসূসৃসেসৈসোসৌ
হাহিহীহুহূহৃহেহৈহোহৌ
ড়ড়াড়িড়ীড়ুড়ূড়ৃড়েড়ৈড়োড়ৌ
ঢ়ঢ়াঢ়িঢ়ীঢ়ুঢ়ূঢ়ৃঢ়েঢ়ৈঢ়োঢ়ৌ
য়য়ায়িয়ীয়ুয়ূয়ৃয়েয়ৈয়োয়ৌ

কারহীন বর্ণযুক্ত শব্দ:

দুই অক্ষর: আখ, আজ, আট, আম, ইট, উট, এক, কই, কম, খই, খড়, গম, ঘন, ঘর, চক, চপ, চর, ছয়, জয়, টব, ঢল, দই, দশ, ধন, নখ, নয়, ফল, বই, বক, বট, বন, বর, বল, মন, যব, রব, রং

তিন অক্ষর: অচল, অটল, অতল, অথচ, অধম, অপর, অমর, অলস, অংশ, আতর, আদর, আপন, আসন, আসর, আসল, আহত, ঈগল (ইগল), এখন, ঔষধ, কদম, কবর, কলম, কলস, গগন, গঠন, গরম, চরম, চয়ন, টগর, দরদ, নরম, নয়ন, পটল, পবন, পরম, পরশ, ফসল, বছর, বরই, বরণ, বরং, বসন, বয়স, ভবন, মনন, মরণ, মলম, লবণ, শরম, শরৎ, সবল, সফল

চার অক্ষর: অজগর, অনটন, অনশন, অপচয়, অবগত, অবচয়, অবতল, অবনত, আচরণ, আমরণ, উৎসব, জনগণ, টমটম, মসনদ

পাঁচ অক্ষর: অনবরত, অনবসর, অপনয়ন, অপহরণ, অবকলন, অবচয়ন, অবতরণ, অবদমন, অবনমন

আ-কার যুক্ত শব্দ:

দিত্ব: কাকা, চাচা, দাদা, নানা, বাবা, মামা

দুই বর্ণ: কাটা, কায়া, খাজা, খাতা, খালা, গাধা, চারা, চালা, ছাতা, ছায়া, জামা, ঝাড়া, টাকা, ঠাসা, ডানা, তালা, থালা, দাতা, পাকা, পাখা, পাটা, পাতা, বাসা, ভাসা, মাচা, মাথা, মানা, মায়া, মালা, রাখা, রাজা, সাজা, সাদা, হাতা

দুই অক্ষর শেষেরটা কারহীন: কাজ, কাঠ, কান, কাপ, কাল, খাট, গাছ, গান, চাপ, চাল, জান, জাম, ডাব, তাপ, তার, ধান, নাক, নাচ, পাট, পান, পাপ, পাশ, ভাত, মাঘ, মাছ, মাঠ, মান, মাফ, মাস, লাফ, হাট

দুই অক্ষর প্রথমটা কারহীন: বকা, মজা

চন্দ্রবিন্দু: কাঁচা, কাঁধ, কাঁসা, খাঁচা, ঝাঁটা, বাঁকা, বাঁচা

তিন অক্ষর: জানালা, পাহারা, বাতাসা

ই-কার যুক্ত শব্দ:

দিত্ব: দিদি, বিবি, মিমি শিশি

দুই বর্ণ: গিরি, চিঠি, চিনি, তিনি

দুই বর্ণ শেষেরটা কারহীন: তিন, বিশ

দুই অক্ষর প্রথমটা কারহীন: কবি, ঘটি, ঘড়ি, দড়ি, বটি, বড়ি

চন্দ্রবিন্দু: সিঁড়ি

অন্যান্য: অতিথি, অপিনিহিতি

ঈ-কার যুক্ত শব্দ:

দুই বর্ণ শেষেরটা কারহীন: গীত, চীন, দীপ, ধীর, নীল, বীজ, বীর, ভীত, শীত, হীন

দুই অক্ষ প্রথমটা কারহীন: নদী

উ-কার যুক্ত শব্দ:

দিত্ব: ঘুঘু, থুথু, ফুফু, বুবু, হুহু

দুই বর্ণ শেষেরটা কারহীন: কুল, খুব, গুণ, ঝুল, দুই, দুধ, ফুল, ভুল, সুখ

দুই অক্ষর প্রথমটা কারহীন: আলু, গরু, তরু, মরু, সরু

ঊ-কার যুক্ত শব্দ:

দুই বর্ণ শেষেরটা কারহীন: কূপ, কূল, দূর, ধূপ, ভূত, মূল, রূপ,

ঋ-কার যুক্ত শব্দ:

কৃপণ, তৃণ

এ-কার যুক্ত শব্দ:

দুই বর্ণ: ছেলে, মেঝে, মেয়ে

দুই অক্ষর শেষেরটি কারহীন: মেঘ, পেশ, বেশ

ঐ-কার যুক্ত শব্দ:

দুই বর্ণ শেষেরটা কারহীন: জৈব, তৈল, দৈব, নৈশ

ও-কার যুক্ত শব্দ:

দুই বর্ণ শেষেরটা কারহীন: কোণ, কোল, চোট, ঝোল, ঢোল, বোল, ভোট, মোট

দুই অক্ষর প্রথমটা কারহীন: আলো

ঔ-কার যুক্ত শব্দ:

দুই বর্ণ শেষেরটা কারহীন: গৌণ, গৌর, দৌড়, ধৌত, পৌষ, মৌন, লৌহ

গৌরব

শেয়ার, কমেন্ট, মেইল বা প্রিন্ট করুন

Leave a Reply